রাঙ্গামাটিতে জমে উঠছে কোরবানির হাট

রাঙ্গামাটিতে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানি পশুর হাট। লক-ডাউন শিথিল হওয়ার সাথে সাথে পাহাড়ে বিভিন্নস্থান থেকে নৌ পথে শহরে কোরবানি গরু আসতে শুরু করেছে। স্থানীয়ভাবে বিক্রির পাশাপাশি রাঙ্গামাটির এসব পাহাড়ি গরু চলে যাচ্ছে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন প্রান্তে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ এবার রাঙ্গামাটিতে অনলাইনে কোরবানি পশু বিক্রির ব্যবস্থা করেছে। ১১টি ওয়েব পেইজের মাধ্যমে কোরবানি পশু বিক্রির জন্য খামারিদের এ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও রাঙ্গামাটি শহরে দু’টি কোরবানি পশুর হাট বসিয়েছে পৌরসভা। প্রত্যেক উপজেলায় দু-একটি করে হাট বসেছে।

মাঝারি সাইজের এক একটি গরু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ হাজার এবং বড় সাইজের গরু বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায়। গরুর পাশাপাশি এই হাটে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির ছাগলও। একেকটি বড় আকারের খাসি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকায়।

রাঙ্গামাটি শহরের সমতা ঘাট ও ট্রাক টার্মিনালে কোরবানি পশুর হাট স্থাপন করেছে পৌরসভা। বিভিন্ন উপজেলার দূরদূরান্ত থেকে এসব পাহাড়ি গরু জেলা সদরে পশুর হাটে আসছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইজারাদাররা।

প্রাণী সম্পদ বিভাগের মতে, চলতি বছর রাঙ্গামাটির কোন খামারির কোরবানি পশু অবিক্রীত থাকবেনা বলে তারা আশাবাদী। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অন্যত্র সরবরাহ হচ্ছে পাহাড়ের কোরবানির পশু।

আরও পড়ুন: নির্ধারিত স্থানেই পশুর হাট, বৃদ্ধ ও শিশুদের নিতে মানা

রাঙ্গামাটি জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা বরুণ কুমার দত্ত জানান, কোন ধরনের মোটা-তাজাকরণ ওষুধ ছাড়াই পাহাড়ি এসব গরু বনে পাহাড়ে স্বাধীনভাবে বেড়ে ওঠায় দেখতে বেশ হৃষ্টপুষ্ট। তাই সহজেই ক্রেতাদের মন কাড়ছে রাঙ্গামাটির কোরবানি পশুর হাটে ওঠা এসব পাহাড়ি গরু।


একাত্তর/আরএ