সরকারে নির্ধারিত স্থানেই কোরবানির পশুর হাট বসাতে হবে। সব হাটেই নিশ্চিত করতে হবে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা। সেই সঙ্গে কোনো হাটেই বৃদ্ধ ও শিশুদের নেয়া যাবে না।
বুধবার (১৪ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের পাঠানো পশুর হাট নিয়ে সরকারি নির্দেশনায় এসব কথা জানানো হয়। এতে হাটে না গিয়ে অনলাইনে পশু কিনতেও পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের একমুখী চলাচল থাকতে হবে অর্থাৎ প্রবেশ ও বের হবার পথ আলাদা হবে।
সেই সঙ্গে প্রবেশ ও বের হবার পথে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকবে হবে। থাকতে হবে পর্যাপ্ত বেসিন, পানি এবং জীবাণুনাশক সাবান। প্রবেশদ্বারে শরীরের তাপমাত্রা নেয়ার জন্য ডিজিটাল মেশিন রাখতে বলা হয়েছে এবং সবার তাপমাত্রা মেপে তারপর হাটে প্রবেশের কথা বলা হয়েছে।
যারা পশুর হাটে যাবেন তাদেরকে হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। মুখে সব সময়ই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
পশুর হাটে সামাজিক দূরত্ব মেনে লাইনে দাঁড়ানো প্রবেশ ও বের হওয়া নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হাট ব্যবস্থাপকদের নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
তবে হাটের চাইতে অনলাইনে কোরবানির পশু কিনতে উৎসাহিত করছে সরকার।
এজন্য চালু হয়েছে ডিজিটাল পশুর হাট। www.digitalhatt.net প্লাটফর্মে সারাদেশের ২৪১টি ডিজিটাল হাট যুক্ত করা হয়েছে। যেখান থেকে অনেকেই পশু কিনেছেন।
সরকারের নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোন স্থানে পশুর হাট বসানো যাবে। একই সঙ্গে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় এমন স্থানে পশুর হাট বসানো যাবে না।
এসব নির্দেশ অমান্য-কারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে নির্দেশনাও পাঠিয়েছে সরকার।
আরও পড়ুন: শীতলক্ষ্যার জায়গায় পার্ক, সমস্যা দেখছে না নাসিক
সব পশুর হাটে জাল টাকা শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হাটের আয়োজকদের বলা হয়েছে।
নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি দেওয়ার পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
একাত্তর/আরএ
