রাত পোহালেই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন উপনির্বাচন। শনিবার সকাল থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ। সিটির ২৭টি ওয়ার্ডে ১০৫টি কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। শুধু কেন্দ্র নয় পুরো কুমিল্লাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে।
শনিবার সকাল থেকেই নগরীর ৬৪০টি ভোটকক্ষে ১০৫ জন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, ৬৪০ জন সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, এক হাজার ২৮০ জন পোলিং এজেন্ট, ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ২৭ জন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিশন সূত্র জানায়, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তার জন্য ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আচরণবিধি প্রতিপালনে ২৭ জন ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে, ২৭ টিমে ৯৩৯ জন র্যাব সদস্য, পুলিশের ২৭টি মোবাইল টিমে এক হাজার ৩৩৯ জন এবং ৯টি স্ট্রাইকিং ফোর্স মাঠে রয়েছে। এছাড়াও দুইটি থানার দুইটি টিম রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে রয়েছে।
কুমিল্লার জেলা প্রশাসক খন্দকার মু মুশফিকুর রহমান জানান, নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ভোটারদের ভোট নির্বিঘ্ন করতে এই নগরীকে একরকম নিরাপত্তার চাদরের ঢেকে ফেলা হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে আমরা যা যা পদক্ষেপ নেয়া দরকার তা নিয়েছি। শুধু কেন্দ্র নয় পুরো কুমিল্লাকে নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে। ফল ঘোষণার পর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে।
কুমিল্লাকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছে। দৃশ্যমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি থাকবে সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সদস্যরাও। কোনো বিশৃঙ্খলা হলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার (এসপি) আব্দুল মান্নান বলেন, সাধারণ ভোটাররা যেন নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সকল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এবার কুমিল্লা সিটি করপোরেশন উপনির্বাচনে লড়ছেন চার প্রার্থী। এর মধ্যে ঘড়ি প্রতীকে সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, ঘোড়া প্রতীকে সাবেক সেচ্ছাসেবক দল কুমিল্লা মহানগর আহবাক নিজাম উদ্দিন কায়সার, বাস প্রতীকে মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাহসিন বাহার ও হাতী প্রতীকে মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।