সাভার পৌরসভা এলাকায় মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ জনজীবন। অভিযোগ উঠেছে, মশা নিধনে প্রতি বছর বাজেট থাকলেও পৌর কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে তেমন কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। অবশ্য পৌর কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা মশা নিধনে নিয়মিত ওষুধ ছিটাচ্ছেন।
কলকারখানার দূষিত বর্জ্য, বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা নোংরা পানি এবং যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলায় মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে সাভার শিল্পাঞ্চল। এতে অতিষ্ঠ স্থানীয় বাসিন্দারা।
তারা বলছেন, পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে বসানো ডাস্টবিন ও আবর্জনা ফেলার স্থান নিয়মিত পরিষ্কার না করায় মশার বিস্তার আরো বাড়ছে।
মশা নিয়ন্ত্রণে পৌরসভা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো উদ্যোগ নেই বলছেন নাগরিক কমিটির নেতারাও।
মানুষের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, নিয়মিত মশার ওষুধ ছেটানো হয়। আরও এক মাসের ওষুধ মজুদ রয়েছে, তবে জনবল সংকটের কারণে সব জায়গায় ওষুধ দেয়া যাচ্ছে না।
সাভার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, নাগরিকদের চাহিদা আমরা পূরণ করতে পারছি না। মশার কোনো সীমানা নেই। এলাকার বাইরে থেকে মশা আসবে না বা বাইরে যাবে না, এমন কোনো বিষয় নেই। এটা একটা সমস্য। আমরা চেষ্টা করছি, সামনে যেহেতু রমজান মাস এবং মার্চ মাসে জাতীয় প্রোগ্রামগুলো আছে। আমরা সচেষ্ট আছি।
ক-শ্রেণিভুক্ত সাভার পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে দ্রুত মশক নিধন কার্যক্রম, ময়লা অপসারণ ও ডাস্টবিন তদারকির দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা বলছেন। তারা বলছেন, তা নাহলে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে না।