মশার নগরীতে পরিণত হয়েছে রংপুর। ময়লা আবর্জনার ভাগাড় রংপুরের শ্যামা সুন্দরী খাল এখন মশা তৈরির প্রজনন কেন্দ্র। মশারী ও কয়েল জ্বালিয়ে মশা উপদ্রব থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান নগরবাসী। তারা বলছেন, মশা নিধনে একেবারেই উদাস সিটি কর্তৃপক্ষ।
তবে, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলছেন, কার্যকরী ঔষধ না পাওয়ায় মশা নিধনের উদ্যোগ নেয়া যাচ্ছে না।
ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে ডিম পাড়ছে মশা। পরে হাজার হাজার মশা জন্ম নিয়ে উড়ে যাচ্ছে বিভিন্ন বসতবাড়িতে। আর সেই মশার কামড়ে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন নগরবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, মশা তৈরির প্রজনন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে রংপুরের ঐতিহ্যবাহী শ্যামা সুন্দরী খাল। কয়েক বছর থেকে খালটি সংস্কার না হওয়ায় খেসারত দিতে হচ্ছে নগরবাসীকে।
তারা বলছেন, খালটি পরিষ্কার ও মশক নিধনে কোন কার্যক্রম নেই সিটি কর্পোরেশনের।
সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান এ দাবি মানেন না। বরং তিনি বলছেন, সমস্যা সমাধান করার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। খোঁজা হচ্ছে কার্যকরী ঔষধ।
এদিকে মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে কয়েল ব্যবহার মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ বলছেন রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শাহ মো. সরওয়ার জাহান।
পরিবেশবিদরা বলছেন, আট কিলোমিটার জুড়ে বয়ে চলা শ্যামা সুন্দরী খালটি পরিষ্কার করা না হলে এডিস মশার লার্ভা তৈরির শঙ্কা রয়েছে। এতে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে নগরবাসী।
তাপদাহে বিপর্যস্ত চিড়িয়াখানার পশুপাখিরাও