পাটুরিয়ায় নেই ভোগান্তি, স্বস্তিতে ঘরে ফিরছে মানুষ

ঈদ উপলক্ষে দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের চাপ বেড়েছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়। বেশিরভাগ যাত্রী ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে লোকাল বাসে করে পাটুরিয়ায় আসছেন। ভোগান্তি ছাড়াই তারা নৌপথ পার হচ্ছেন। দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাসগুলোকেও বেশি সময় অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে না। 

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় আগে দেখা যেতো যাত্রীবাহী বাসের দীর্ঘ সারি। তপ্ত দুপুরে দীর্ঘ সময় বাসে বসে গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা ছিলো যাত্রীদের। এই ছবি ২০১৮ থেকে ২১ সালের ঈদের আগে পাটুরিয়ায় নিয়মিত দেখা যেতো।

কিন্তু পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকেই পালটে গেছে এই চিত্র। ব্যস্ততম এই ঘাটে এখন নেই কোনো যানজট, কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই সরাসরি ফেরিতে উঠছে সব ধরনের যানবাহন। 

যাত্রীরা জানান, আগে ঘাটে ফেরির অপেক্ষায় থেকেছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কিন্তু এবারের ঈদে ফেরির জন্য এখন আর এসব ঝামেলা নেই। 

মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপাদ জানালেন, ঈদযাত্রায় যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করা, সড়কে যানজট নিরসনসহ ঘাট এলাকায় সার্বক্ষণিক কঠোর নজরদারি করবে প্রশাসন।

এবারের ঈদযাত্রায় যাত্রী ও যানবাহন পারাপার নির্বিঘ্ন করতে ১৫টি ফেরি ও ৩৩ টি লঞ্চ চলাচল করবে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-পথে।

বর্তমান পাঁচটি ঘাট দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এরমধ্যে তিনটি ঘাটে রয়েছে তিনটি পকেট। বাকি দুটিতে আছে দুইটি পকেট। যেখানে ফেরি ভিড়তে পারবে।