নীলফামারীর সৈয়দপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমানকে লাঞ্চিত করার ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় এক ব্যবসায়ীর দুই ছেলেকে কারগারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (২৪ জুলাই) বিকেলে আসামী দুই ভাইকে আদালতে উঠানো হলে নীলফামারীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সহদেব চন্দ্র রায় তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দশ দেন।
পুলিশ জানায়, কঠোর লকডাউন চলাকালীন শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাত সাড়ে আটটার দিকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর সড়কের সিএসডি মোড়ে বেপরোয়া গাড়ী চালানোর দায়ে আতিফ হোসেনকে এক হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রমিজ আলম।
কিন্তু জরিমানার টাকা পরিশোধ না করে গাড়ী পালাতে গেলে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারকের নির্দেশে সৈয়দপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমানসহ পুলিশ সদস্যরা প্রায় দেড় কিলোমিটার ধাওয়া করে শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কস্থ বিসিক শিল্পনগরীর সামনে গাড়ীটিকে আটক করে।
এসময় আতিফ ও আতিক গাড়ী থেকে নেমে চড়াও হয়ে সৈয়দপুর থানা পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমানকে লাঞ্চিত করে তাঁর পোশাক ছিড়ে দিলে দুই ভাইকে আটক করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কার ঘটনায় মাস্টার আটক
এ ঘটনায় রাতেই আতিফ ও আতিককে আসামী করে সৈয়দপুর থানায় মামলা দায়ের করেন থানার উপ-পরিদর্শক রেজাউল ইসলাম।
এদিকে আসামীদের আদালতে নেওয়ার সময় ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাঁধা দেন আসামীদের বাবা আলতাফ হোসেনসহ তাদের লোকজন।
সৈয়দপুর থানার পরিদর্শক মো. আবুল হাসনাত খান সত্যতা নিশ্চিৎ করে বলেন, "শনিবার বিকালে আসামী দুই ভাইকে আদালতে তোলা হলে তাঁদের দু’জনকেই জেলা কারাগারে পাঠানো আদেশ দেন বিজ্ঞ জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সহদেব চন্দ্র রায়। আসামীদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"
একাত্তর/এসজে