অভিনব কায়দায় চেতনানাশক ওষুধ মেশানো বিস্কুট খাইয়ে অজ্ঞান করা হতো অটোরিকশা চালককে। পরে হত্যা করে মহাসড়কে ফেলে অটোরিকশা নিয়ে চলে যেতো একটি চক্র।
সম্প্রতি কুমিল্লার টিক্কারচর এলাকার বাসিন্দা অটোরিকশা ড্রাইভার পরান হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে গিয়ে এই চক্রের সন্ধান পায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও কোতয়ালী থানা পুলিশের একটি দল। সেইসাথে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার ও বেশকিছু অটোরিকশা উদ্ধার করে তারা।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২ টায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান।
পুলিশ সুপার জানান, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রী সাজতো এই চক্রটি। একপর্যায়ে ড্রাইভারকে চেতনানাশক বিস্কুট ও কোমলপানীয় পান করাতো। কিছুসময় পর অচেতন হয়ে যেতো ড্রাইভার। এরপর পরিকল্পনা মোতাবেক নির্দিষ্ট স্থানে পোঁছালে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায় চক্রের কয়েকজন সদস্য। বাকী সদস্যরা অচেতন ড্রাইভারকে মহাসড়কে ভারী যানবাহনের নিচে ফেলে হত্যা করতো।
তিনি আরও জানান, চক্রের মূল মাস্টারমাইন্ডকে চিহ্নিত করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তার পরিচয়ও পাওয়া গেছে। খুব শীগ্রই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলো: সদর দক্ষিণ উপজেলার আব্দুল হাকিমের ছেলে শহিদুল ইসলাম, আব্দুর রবের ছেলে মো. শরীফ, দেলোয়ার হোসেনের ছেলে রুবেল, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মৃত আরব রহমানের ছেলে আমির হোসেন, মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে সোহাগ হোসেন।