সাভারে আশুলিয়ায় প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সুমাইয়া আক্তার নামে এক গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে হত্যা করেছে শহিদুল ইসলাম বিদ্যুৎ নামের প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া।
মঙ্গলবার বিকেল ৫ টার দিকে আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে লাশ উদ্ধার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। এর আগে বিকাল ৩ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থল থেকে ছুরিসহ অভিযুক্তকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করে এলাকাবাসী। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে র্যাব ও পুলিশ।
নিহত সুমাইয়া আক্তার গৃহবধু। নিহতের স্বামী মাসুদ রানা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন।
সুমাইয়া রংপুর জেলার বদরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। তিনি তার স্বামী মাসুদ রানা ও আড়াই বছরের কন্যা সন্তান মরিয়ম আক্তারকে নিয়ে সোহেল মিয়ার বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতেন। আটক শহিদুল ইসলাম বিদ্যুৎ (৩২) নাটোর জেলার লালপুর থানার বিজয়পুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনিও সোহেলের বাসায় ভাড়া থাকতেন।
র্যাব জানায়, এক বছর ধরে সুমাইয়াকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন শহিদুল। প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মঙ্গলবার দুপুরে সুমাইয়ার কক্ষে প্রবেশ করে ধারালো ছুরি দিয়ে তার গলা কেটে দেন শহিদুল। মৃত্যু নিশ্চিত হলে শহিদুল নিজ ঘরে চলে যান এবং ভেতরে দরজা আটকে বসে থাকেন।
পরে ঘটনা জানাজানি হলে আশুলিয়া থানায় খবর দেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সুমাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
র্যাব-৪ এর সিপিসি-২ নবীনগর ক্যাম্পের কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমান বলেন, শহিদুল ইসলাম বিদ্যুৎকে আটক করা হয়েছে। পরে তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিয়ে ঘটনার কারণ জানা যায়। তিনি প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে জানা গেছে।
আশুলিয়া থানার এস আই মোস্তফা কামাল জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।