সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় সাত বছর বয়সী শিশু কন্যা হাজেরা খাতুন হত্যাকাণ্ডে জড়িত সৎমা মোছা. রুবি খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ জুলাই) তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
গ্রেপ্তারের পর রুবি খাতুন পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেন এবং পরবর্তীতে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. একরামুল হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পারিবারিক বিরোধ ও দীর্ঘদিনের মানসিক অসন্তোষ থেকে শিশুটিকে হত্যা করেছেন সৎমা মোছা. রুবি খাতুন। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
এর আগে গতকাল রোববার (১৩ জুলাই) দুপুরে স্কুল শেষে বাড়ি ফিরে নিখোঁজ হয় হাজেরা। তার দাদা মোজদার আলী বহু খোঁজাখুঁজি করেও তাকে খুঁজে না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। সন্ধ্যার দিকে হাজেরার যমজ সৎ ভাইয়েরা জানায়, তাদের মা হাজেরাকে মেরে ফেলেছে। এরপর বাড়ির টিনের ঘরের খাটের নিচে একটি লাল বালতিতে মুখ বাঁধা প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে মরদেহটি রেখে পালিয়ে গেছেন।
হাজেরা খাতুন সিরাজগঞ্জের কুটিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুশ্রেণির ছাত্রী ছিলো। তার বাবা মো. হারুনর রশিদ একজন মাদ্রাসা শিক্ষক। প্রথম স্ত্রী চলে যাওয়ার পর তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন রুবি খাতুনকে। ওই ঘরে আয়মান ও সালমান নামে যমজ দুই সন্তান রয়েছে।