থানায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধর, ওসিসহ ক্লোজড পাঁচ

রংপুরে সেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগে মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড ও তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল মাবুদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। 

তিনি বলেন, সরকারি চাকুরিজীবীদের আচরণ বিধি অনুযায়ী এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 

এর আগে বুধবার রাতে রংপুর মেট্রো কোতোয়ালি থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দলের রংপুর সদর উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ রাকিবকে মারধরের অভিযোগ ওঠে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। 

ভুক্তভোগী রাকিব জানান, পালিয়ে যাওয়ার পর তরুণ-তরুণী যুগল থানায় মীমাংসার জন্য গেলে পুলিশ তাদেরকে নির্যাতন করে। খবর পেয়ে থানার ভেতরে গেলে তাকেও মারধর করে পুলিশ। 
এসময় কিল, ঘুষি, লাথিসহ বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রাকিবের। 

তবে মারধরের অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে কোতোয়ালি থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ রহমান বলেন, তরুণ তরুণী যুগলের দুই পরিবারের মধ্যে হাতাহাতি হলে তারা থামান। কাউকে মারধর করেননি তারা। 

এদিকে আহত সেচ্ছাসেবক দল নেতা রাকিব হাসানকে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে আর প্রেমিক যুগলকে পরিবারের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। 

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল মাবুদ জানান, তদন্তের অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।