পদ্মায় একই দিনে ৩৫ কেজির বাগাইড় ও ১২ কেজির চিতল

রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে জেলের জালে ৩৫ কেজি ১৫০ গ্রামের বিশাল আকৃতির একটি বাগাইড় মাছ ধরা পড়েছে।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলে দুলাল মোল্লার জালে মাছটি ধরা পরে। এ সময় নদীর পাড়ে মাছটি নিয়ে আসলে এক নজর দেখতে ভিড় করে স্থানীয়রা।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের সাদিয়া মৎস আড়তের মালিক মোঃ মহম্মদ আলী মন্ডল জানান, শনিবার বিকেলে পদ্মা ও যমুনার মোহনায় জাল ফেলে জেলে দুলাল মোল্লা। এ সময় তার জালে বিশাল আকৃতির এই বাগাইড় মাছটি ধরা পরে। পরে মাছটিকে স্থানীয় খালেক মোল্লার আড়তে নিয়ে আসলে ১২৫০ টাকা কেজি দরে মোট ৪৩ হাজার ৭৫০ টাকায় কিনে নেওয়া হয়। মাছটিকে বেশি দামে বিক্রির জন্য দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বেধে রাখা হয়েছে সেই সাথে ঢাকার ব্যাবসায়ীদের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে একই দিন ভোরে পদ্মা-যমুনা মোহনায় জেলের জালে ১২ কেজি ওজনের একটি চিতল মাছ ধরা পড়ে। শনিবার ভোর রাতে স্থানীয় জেলে রতন  হালদারের জালে ধরা পড়ে মাছটি।


শনিবার সকালে বিক্রির উদ্দেশ্যে দৌলতদিয়া ঘাটে আনলে মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ ১৫'শ ৫০টাকা কেজি দরে ১৮ হাজার ৬'শ টাকায় মাছটি কিনে নেন।

জেলে রতন হালদার জানান, প্রতিদিনের মত গত শুক্রবার দিবাগত রাতে সঙ্গীদের নিয়ে পদ্মায় মাছ শিকারে গেকে সারারাত তেমন কোন মাছ না পেয়ে অনেকটা হতাশই ছিলেন। এর মধ্যেই বড় সাইজের মাছ আটকা পড়ে।

আরও পড়ুন: অপেক্ষার বাঁধ ভাঙলো, ৭০ বছর পর দেখা মা-ছেলের

এবিষয়ে মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ বলেন, পদ্মা নদীর চিতল মাছের প্রচুর চাহিদা থাকায় এর দামও বেশী। মাছটি কিনে লাভের আশায় দেশের বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করে গাজীপুরের এক ব্যাক্তির কাছে ১৬ টাকা কেজি দরে মোট ১৯হাজার ২'শ টাকায় বিক্রি করেছি। 

গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল শরিফ জানান, পদ্মা নদীর পানি কমে যাওয়ায় এখন মাঝে মধ্যেই এমন বড় বড় আকৃতির মাছ ধরা পরছে। এতে স্থানীয় জেলে ও মাছ ব্যাবসায়ীরা সবাই লাভবান হচ্ছে। তাছাড়া পদ্মা নদীর মাছের বেশ চাহিদা থাকায় জেলে ও মাছ ব্যাবসায়ীদের বিক্রি করতেও বেগ পেতে হচ্ছে না। 


একাত্তর/টিএ