দাম বেঁধে দেয়ার পর আলু নেই পটুয়ালীতে

পটুয়াখালীতে কোন দোকানেই আলু নেই। সরকারের বেঁধে দেয়া দামে কোল্ডস্টোরেজ মালিকরা আলু বিক্রি করছে না, বলে অভিযোগ করছেন ব্যবসায়ীরা। বলছেন হিমাগার থেকে অতিরিক্ত দামে আলু তারা কিনতে পারছেন না। এতে সরবরাহ ঠিক না থাকায় আড়ত শূন্য হয়েছে।

ক্রেতারা বলছেন, পুরো বাজার খুঁজেও আলু পাচ্ছেন না তারা।

ব্যবসায়ীরা জানান, এখানে আলু আসে রাজশাহী অঞ্চলের কোল্ড স্টোরেজ থেকে। তাদের কাছে যে পরিমাণ আলু ছিল তা প্রশাসনের নির্ধারিত দামে বিক্রি শেষ। এখনা সরকারের বেঁধে দেয়া দামে কোল্ডস্টোরেজ মালিকরা আলু বিক্রি করছেন না।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মাল কিনে আনতে হচ্ছে দূর থেকে। তাও বেশি দামে। আবার বহন খরচও আছে। তার ওপর ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানও চলছে নিয়মিত। সব মিলে আলু বিক্রি কষ্টকর হয়ে উঠেছে।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান, হিমাগার থেকে আলু সরবরাহ কমিয়ে দেয়ায় বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আলু সরবরাহ ঠিক না থাকায় আড়ত শূন্য হয়েছে বলছেন জেলাও।

পটুয়াখালীর কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মাঠ ও বাজার পরিদর্শক প্রহ্লাদ চন্দ্র সাহা বলেন, আলু নিয়ে বাজারে মনিটরিং চলছে। আশা করছি দ্রুতই সমস্যা সমাধান হবে।

রাজশাহীর মোকামে বর্তমানে ৩৭ থেকে ৩৮ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি হচ্ছে। বস্তা প্রতি ঘর পর্যন্ত পৌঁছতে খরচ রয়েছে ৩ টাকা।

আলুর দাম নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার সরকার আলুর দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, দাম নিয়ন্ত্রণে বাজার অভিযানও শুরু করেছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় খুচরা বাজারে প্রতি পিস ডিমের দাম ১২ টাকা, আলুর দাম প্রতি কেজি ৩৫-৩৬ টাকা এবং পেঁয়াজের দাম ৬৪-৬৫ টাকা নির্ধারণ করে।