বৈরী আবহাওয়ায় বঙ্গোপসাগরে এফ বি মোল্লা নামে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। ট্রলার ডুবির পর ১৮ জেলেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করেছে অন্য ট্রলারের জেলেরা।
শনিবার রাতে ট্রলার মালিক বরগুনা সদরের নিশানবাড়িয়া এলাকার আ. মান্নান মোল্লা এ তথ্য জানান।
অন্যদিকে বৈরী আবহাওয়ায় বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে যাওয়া বরগুনার ২৩টি ট্রলারের সাথে যোগাযোগ করতে পারছে না মালিকপক্ষ। ওই ট্রলারগুলোতে অন্তত ২৫০ জন জেলে রয়েছেন।
বাংলাদেশ মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, তিন দিন ধরে সাগর উত্তাল থাকায় বেশিরভাগ ট্রলারই ঘাটে ফিরে এসেছে। তবে, ওই ২৩টি ট্রলারে থাকা জেলেদের সাথে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।
তিনি জানান, ওই জেলেদের খোঁজে কাজ শুরু করেছে নৌবাহিনীর সদস্যরা।
কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের পাথরঘাটা স্টেশনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মো. সাকিব মেহেবুব জানান, ট্রলার মালিক সমিতির থেকে তথ্য পেয়ে নৌবাহিনীর সাথে সমন্বয় করে জেলেদের সন্ধানে কাজ করছেন তারা।
তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় বৈরী আবহাওয়ায় বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার করা জেলেরা ঘাটে ফিরতে না পারলে সুন্দরবনে আশ্রয় নেয়। আমরা সেসব জায়গায় টহল জোরদার করেছি। আশা করি সব জেলেকে সুস্থভাবে উদ্ধার করা যাবে।
এদিকে শনিবার সকাল থেকে টানা ভারী বর্ষণ ও ঝড়ো বাতাসের কারণে সদরের আমতলী-পুরাকাটা, বরইতলা-বাইনচুটকি, বেতাগী ও তালতলীসহ প্রায় ১৫টি খেয়া ঘাটের খেয়া চলাচল পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।
বরগুনা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামিম মিঞা জানিয়েছেন, শনিবার রাতে দুটো খেয়াঘাট ঘুরে দেখেছি। যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ওই দুই ঘাটে খেয়া চলাচল বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আহমেদও জানান, নদী উত্তাল থাকায় খেয়া চলাচল বন্ধ করা হয়েছে।