প্রহরীকে হত্যা করে জুয়েলার্স লুটে গ্রেপ্তার সাত

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট পশ্চিম বাজারে নৈশপ্রহরীকে হত্যা করে দুটি স্বর্ণের দোকান লুট করে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল। এ ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাঁচ ডাকাত ও দুই সহযোগীসহ সাত জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

এ সময় লুট হওয়া ৬০ ভরি স্বর্ণ, ১৬০ ভরি রূপা, স্বর্ণ বিক্রির তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি দেশীয় তৈরি পাইপগান, দুই রাউন্ড কার্তুজ, একটি গ্যাস সিলিন্ডার ও একটি পাইপ, ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত পিকআপ জব্দ করা হয়েছে।  

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো.শহীদুল ইসলাম।  

গ্রেপ্তাররা হলেন, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর থানার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের চরপাগলা গ্রামের মো.নোমান, কমলনগর থানার চর মার্টিন ইউনিয়নের পশ্চিম চর মার্টিন গ্রামের মো. সুজন হোসেন, কমলনগর থানার হাজীরহাট ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের ছৈয়াল বাড়ির কৃষ্ণ কমল সরকার, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার নদনা ইউনিয়নের জগজীবনপুর গ্রামের মো. শাহাদাত হোসেন, একই উপজেলার বজরা ইউনিয়নের মুসলিম গ্রামের হাজী বাড়ির মো. সাদ্দাম হোসেন ওরফে জিতু ,বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার করিমপুর এলাকার মুন্সি বাড়ির সালাউদ্দিন, কবিরহাট উপজেলার কবিরহাট পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের জৈনদপুর গ্রামের মোশারফ বিএসসির বাড়ির মো. মিজানুর রহমান ওরফে রনি।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) ভোরে কবিরহাট উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের চাপরাশিরহাট পশ্চিম বাজারের মা-মনি জুয়েলার্স ও নুর জুয়েলার্সে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। 

দোকান মালিকরা লুট হওয়া স্বর্ণের  বাজার মূল্য প্রায় তিন কোটি টাকা দাবি করলেও পুলিশের ভাষ্য দুটি দোকান থেকে সর্বমোট ৭২ ভরি স্বর্ণ লুট করে ডাকাত দল।  

পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার ডাকাতদের বিরুদ্ধে নোয়াখালীসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি ওহত্যা মামলা রয়েছে। তাদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড চাওয়া হবে।