সীমান্তে কড়াকড়ি, তাও ক্যাম্পে নতুন রোহিঙ্গা

মিয়ানমারে সংঘর্ষের জেরে সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ কড়াকড়ি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্টগার্ড। তারপরেও ক্যাম্পে পাওয়া গেলো নতুন অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা, যারা এক সপ্তাহ আগে রাখাইন থেকে বাংলাদেশে ঢুকেছেন। তারা বলছেন, মিয়ানমারে আরাকান আর্মির নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছেন।

যদিও টেকনাফ সীমান্তে এখন সুনসান নীরবতা। শুধু স্থানীয় বাসিন্দার যাওয়া আসা চোখে পড়ে গুটি কয়েক। সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে স্পষ্ট দেখা যায় ধোঁয়ার কুণ্ডলী।

এরই মাঝে সীমান্তে এবং নাফ নদীতে নিয়মিত টহল দিয়ে যাচ্ছে বিজিবি। উদ্দেশ্য- রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, মাদক রোধ এবং অবৈধ অস্ত্রধারীদের অনুপ্রবেশ ঠেকানো।

এরপরও ঠেকানো যাচ্ছে না রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ। সপ্তাহ খানেক আগে শাহ পরীর দ্বীপ দিয়ে পরিবারের ৮ সদস্য নিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন আব্দুর রশিদ। উঠেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে খালার বাসায়।

রশিদ জানান, তার পরিবারের একজনকে মেরে ফেলেছে আরাকান আর্মি।

তিনি আরও জানান, দুই দেশের দালালের মাধ্যমে তারা রাতের বেলা অনুপ্রবেশ করেছেন। এজন্য দিতে হয়েছে কয়েক লাখ বার্মিজ মুদ্রা।

রশিদের মতোই পরিবারের ছয়জন নিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছেন আরেক রোহিঙ্গা মোহাম্মদ সাজেদ। তিনি এসেছেন, দালালের মাধ্যমে।

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, টেকনাফ থেকে বান্দরবান পর্যন্ত সীমান্তের ১৬টি পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে আসে রোহিঙ্গারা। এই কাজে জড়িত ২০ জনের দালাল চক্র। 

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) মুখপাত্র বলেন, রোহিঙ্গা প্রবেশের কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। এটা বিজিবি বা কোস্টগার্ডের ভালো জানার কথা।