বান্দরবানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুই উপজেলা

টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধসে বান্দরবানের সঙ্গে থানচির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এদিকে বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় আলীকদম উপজেলার সঙ্গেও জেলা সদরের সঙ্গেও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সড়ক যোগাযোগ। 

এছাড়া বৃষ্টির পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে নাইক্ষ্যংছড়িতে দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী কয়েকদিনে বৃষ্টিপাত আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর । বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় অতি ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। 

bandarban

থানচির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে বান্দরবান-থানচি সড়কের নীলগিরি পর্যটনকেন্দ্রের কাছে জীবননগর এলাকায় পাহাড়ের বড় একটি অংশ সড়কের ওপর ধসে পড়ে। এতে বান্দরবানের সঙ্গে থানচি উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

পাহাড়ি ঢলে মাতামুহুরি নদীর পানি বাড়ায় আলীকদম-লামা-ফাঁসিয়াখালী সড়ক তলিয়ে গেছে। এতে জেলা শহরের সঙ্গে আলীকদমের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এদিকে টানা দুইদিনের ভারী বৃষ্টিপাতে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের দুই-একটি জায়গায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটলেও বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

তবে চেঙ্গী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলা সদরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। চেঙ্গী নদীর পানি এখনও বাড়ছে।