কোটা আন্দোলনকারীদের এক দফার আন্দোলন চলাকালে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয় গেছে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তাণ্ডবে রীতিমতো রণক্ষেত্র কুমিল্লা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ও ইউএনওর গাড়ীসহ বেশ কয়েকটি যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর করেছে আন্দোলনকারীরা।
রোববার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি, ইলিয়টগঞ্জ, চান্দিনা, সৈয়দপুর, কালাকচুয়া, নাজিরা বাজার থেকে ক্যান্টনমেন্ট মোস্তফা কামাল গেইট এলাকা হয়ে আলেখারচরের দিকে মিছিল করে আন্দোলনকারীরা। মহাসড়কে আগুন জ্বলিয়ে বিক্ষোভ করে সরকার পতনের বিভিন্ন শ্লোগান দেয় আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনকারীরা দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ কলেজ এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়িতে আগুন এবং দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা ঘেরাও করে। এসময় তারা হাইওয়ে পুলিশের রেকারে আগুন ধরিয়ে দেয়। স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার মালিকানাধীন পেট্রোল পাম্প ভাঙচুর করে বিক্ষুব্দরা।
দেবীদ্বারে আন্দোলনকারীরা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ শুরু করলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বাধা দেয়। এসময় দুই পক্ষের পক্ষে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের মধ্যে রুবেল নামের একজন বাস চালক নিহত হন।
দেবীদ্বার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সোহেল রানা জানিয়েছেন রুবেলের মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিলো। তাকে স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয়।
এদিকে কুমিল্লা নগরের কান্দিরপাড় পূর্বালী চত্বর, পুলিশ লাইনস, মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়, ও মহাসড়কের কোটবাড়ি বিশ্বরোড, ঝাগুরঝুলি, নাজিরাবাজার, আলোখাচর বিশ্বরোড এলাকায় অবস্থান নেয় মহানগর আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সরকারি দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা।
দুপুরের দিকে কুমিল্লার ক্যান্টমেন্ট নাজিরাবাজার, আলেখাচর ও কোটবাড়ি, বিশ্বরোড এলাকায় আন্দোলকারীদের সাথে আওয়ামীলীগের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।