হঠাৎ বন্যা পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে কক্সবাজারের রামু উপজেলায়। সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা দাঁড়িয়েছে রামুর গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া ও কাউয়ারখোপ ইউনিয়নে।
এরইমধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে বন্যার পানির স্রোতে ভেসে গেছে- রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের দুই যুবক।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পূর্বজুমছড়ি গ্রামের ছৈয়দ হোসেনের ছেলে আমজাদ হোসেন (২২) ও ছালেহ আহমদের ছেলে রবিউল আলমের (৩৫) খোঁজ মেলেনি।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবুল কাসেম জানান, পূর্বজুমছড়ি কবরস্থান সড়ক পার হতে গিয়ে পানির স্রোতে আমজাদ হোসেন ও নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি ইউনিয়নের বাঁকখালীতে পানির স্রোতে রবিউল আলম ভেসে গেছে। রবিউল দোছড়ি ইউনিয়নের বাঁকখালীতে কাজ করতেন বলে নিশ্চিত করেছেন ইউপি সদস্য।
অন্যদিকে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি। গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া ও কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের অন্তত ৩০ হাজার মানুষ বর্তমানে পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।
বাঁকখালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে গর্জনিয়ার মাঝিরকাটা, পূর্ববোমাংখিল গ্রাম এবং ক্যাজরবিল জামে মসজিদ ও প্রাচীন কবরস্থান।
রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলামের সাথে এ বিষয়ে যোগাযোগের জন্য ফোন করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
রামু ও ঈদগাঁওয়ের বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে সহযোগিতা করছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল।