প্রেমিককে হত্যার পর বাথরুমের টাঙ্কিতে ফেলে দেন প্রেমিকা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজ এক ব্যক্তির মরদেহ পরিত্যক্ত বাথরুমের একটি ট্যাঙ্কি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এক নারীসহ দুই জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। 

আটক নারীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের সঙ্গে তার পরকীয়া চলছিল। মিলনে রাজি না হওয়ায় মেয়ের দিকে হাত বাড়ালে প্রেমিককে মাথায় আঘাতসহ হাত, পায়ের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, আর্থিক কোনো লেনদেনের কারণে এই হত্যা ঘটেছে।

শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুর ইউনিয়নের হোসেনপুর টানপাড়া গ্রামের পরিত্যক্ত একটি বাথরুমের ট্যাঙ্কি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহতের নাম ইসমাইল মিয়া (৬০)। তিনি উপজেলার লামা শরীফপুর গ্রামের বাসিন্দা।

আটকরা হলেন- হোসেনপুর টানপাড়া গ্রামের শান্তা আক্তার (৩৫) ও তার স্বামী সুমন মিয়া (৪০)।

স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে ইসমাইল মিয়া নিখোঁজ ছিলেন। এরই মধ্যে স্থানীয়রা ওই ট্যাঙ্কির ভেতরে মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেয়। 

আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বিল্লাল মিয়া জানান, আটক নারী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরকীয়া চলছিল বলে জানিয়েছেন। ওই নারী জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে এক পর্যায়কে ইসমাইলকে ঘর থেকে বের করে দেন। কিন্তু মেয়ের দিকে হাত বাড়ালে ক্ষুব্ধ হয়ে তার মাথায় আঘাত ও পরে হাত, পায়ের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে মরদেহটি ওই স্থানে ফেলে দেন।

তবে এই ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন আরেক আটক সুমন।

ওসি জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।