যারা দেশকে ১৯৪৭ এর আগে নিয়ে যেতে চায়, যারা ’৫২ ও ’৭১ স্বীকার করে না এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা স্বীকার করে না, তারা এ দেশে জনগণের কাছে ভোট চাওয়ারও অধিকার রাখে না। একাত্তর হলো আমাদের মূল চেতনা। সেই চেতনা ও জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার চেতনা নিয়ে দেশ চলবে।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌর বিএনপির ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী বরকত উল্লাহ বুলু।
এসময় তিনি বলেন, আগামীতে বিএনপিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যেতে হবে। সে জন্য দলীয় নেতা-কর্মীরা এমন কাজ করবেন না যাতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমানকে মানুষ খারাপ বলে।
অনেক নেতার আশীর্বাদ নিয়ে অনেকে দলে ঢুকছেন জানিয়ে বুলু বলেন, এ ব্যাপারে তারেক রহমানের নির্দেশনা রয়েছে- যারা কোনো দিন বিএনপি করেনি, আন্দোলন-সংগ্রামে ছিল না তারা দলে ঢুকতে পারবে না। এমন ব্যক্তিকে অন্তত ছয় বছর অপেক্ষা করতে হবে কোনো পদ-পদবী পাওয়ার জন্য। আর যারা এসব নব্য বিএনপির লোকদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবেন তাদেরও বিএনপি করার অধিকার নেই।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির নেতা কর্মীরা ১৭ বছর আন্দোলন করেছেন, জেল, জুলুম অত্যাচার সহ্য করেছেন। পাঁচ আগস্টের পর আমাদের কিছু নেতার ঘাড় মোটা হয়ে গেছে, পেট বড় হয়ে গেছে, আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মামলা দিচ্ছে। তাদের এস কর্মে বিএনপির দুর্নাম। এদের চিহ্নিত করে দল থেকে বের করে দিতে হবে। যারা দলের আদর্শকে বিনষ্ট করছে, বিএনপিতে তাদের থাকারও অধিকার নেই।
চৌমুহনী পৌর বিএনপির সভাপতি জহির উদ্দির হারুনের সভাপতিত্বে ইফতার ও দোয়ার অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহবায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক অ্যাড. এ বি এম জাকারিয়া, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও বরকত উল্লাহ বুলুর স্ত্রী শামিমা বরকত লাকী, বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামাক্ষ্যা চন্দ্র দাস, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহসিনসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।