ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের গুলিতে নিহত জুলাই যোদ্ধা শহীদ শাহাদাত হোসেন শাওনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ৯ মাস ২০ দিন পর কবর থেকে তোলা হয়েছে।
সোমবার (২৬ মে) দুপুরে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের খাজুরিয়া সর্দার পাড়া শাওনের পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহটি তুলে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালীর মর্গে পাঠানো হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাহিদুল ইসলামের উপস্থিতিতে কবরস্থান থেকে মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
এসময় সেনবাগ সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার কামাল উদ্দিন, সেনবাগ থানার ওসি তদন্ত হযরত আলী মিলন, স্থানীয় কেশারাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হক সুমন, যাত্রাবাড়ী থানার এসআই ইমরান হোসেন, সিআইডির একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
শহীদ শাহাদাত হোসেন শাওন ওই এলাকার বাছির আলমের ছেলে। চার ভাই এক বোনের মধ্যে সে ছিলো সবার ছোট। সে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে একটি মাদরাসার ছাত্র ছিলো।
বাবা বাছির আলম বলেন, শাওন পাঁচ আগস্ট বিকালে রাজধানীর যাত্রবাড়ীতে মিছিলে অংশগ্রহণ করেছিলো। এ সময় পুলিশের এলোপাথাড়ি গুলিতে গুরুতর আহত হয়। তার মাথায় গুলি লেগেছিল। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাকে দাফন করা হয়।
তিনি আরও বলেন, আমার ছেলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে, এটা সবাই জানে। ঘটনাটি তদন্ত করলে সঠিক কারণ বেরিয়ে আসবে। ছেলের হত্যায় যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
তিনি জানান, প্রথমে আদালতে মামলা করার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছি। দুটি মামলায় ৮২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।