লক্ষ্মীপুরে যাত্রীবাহী বাস খালে পড়ে নিহত তিন

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জের কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আনন্দ পরিবহণের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রহমতখালী খালে পড়ে ডুবে গিয়ে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১৪ জন। নিখোঁজ রয়েছেন আরো পাঁচ জন, এর মধ্যে আছে নারী এবং শিশুও।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মোবারক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সকাল সাড়ে আটটার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত এক জনের নাম মোরশেদ আলম। তাৎক্ষণিক বাকিদের পরিচয় জানা যায়নি। মরদেহগুলো উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

এদিকে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দুইঘণ্টা পার হলেও ঘটনাস্থলে ডুবুরি পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ করেন প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা। সে সময় পানির তলদেশে কেউ ডুবে আছে কি না তাও নিশ্চিত বলতে পারেনি ফায়ারসার্ভিস।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে পুলিশ জানায়, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা লক্ষ্মীপুরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে রহমতখালী খালে পড়ে ডুবে যায়। দুর্ঘটনার আড়াই ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও বাসটি উদ্ধার সম্ভব হয়নি।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি ফয়জুল আজিম নোমান বলেন, অচেতন অবস্থায় আমরা ঘটনাস্থল থেকে তিন জনকে উদ্ধার করেছি। এরমধ্যে তিন জন মারা গেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কয়েক জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গাড়িতে ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী ছিলো। ডুবরি দলকে খবর দেয়া হয়েছে।

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন বলেন, চন্দ্রগঞ্জে দুর্ঘটনায় নিহত তিন জনের মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে।