কুমিল্লায় ‘অবৈধ এলপিজি ক্রস ফিলিং বন্ধকরণ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বার্ডে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন- মেঘনা ফ্রেশ এলপিজি লিমিটেডের চিফ মার্কেটিং অফিসার আবু সাঈদ রাজা, অরিয়ন এলপিজি সিইও অনুপ কুমার সেন, ইউরো গ্যাস কোম্পানির সিইও মীর তারিকুল ইসলাম, বিএম এলপিজির জিএম অলক কুমার পন্ডিত, ওমেরা গ্যাস হেড অফ সেলস মো. রুকনুজ্জামান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. কাউসার মিয়া।
‘সঠিক সিলিন্ডার ব্যবহার করুন, দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলুন’ স্লোগানে আলোচনা সভায় কুমিল্লা এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মো. আমানত উল্লাহ সভাপতিত্ব করেন।
বক্তব্য রাখেন- জি গ্যাস সিইও মাহবুবুল ইসলাম, ইউনিটেক্স সি ম্যানেজার সিফাত মঞ্জুর, বেক্সিমকো এনএসএম আবু বকর সিদ্দিক, ফ্রেশ এজিএম রফিকুল ইসলাম, ফ্রেশ এলপিজি ফ্রেশ এলপিজি মুকিত ইবনে সিদ্দিকী।
জেলা এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক মনি মুক্তা পালের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রজেক্টরে বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ফ্রেস এলপি গ্যাসের ডিপুটি ম্যানেজার ও আহবায়ক এলপিজি লিডার্স কুমিল্লা বিভাগ (লোয়াব) হোসাইন মারুফ।
বক্তারা জেলার বিভিন্ন স্থানে অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন থেকে প্রায় সব কোম্পানির সিলিন্ডারে অবৈধভাবে গ্যাস রিফিলের অভিযোগ করেন। সিলিন্ডারের মেয়াদ ও ফিটনেস পরীক্ষা ছাড়াই গ্যাস রিফিলের কারণে বহু দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানান তারা। তাছাড়া ওজনে কম দিয়ে কিছু অসাধু লোকের মাধ্যমে বাজারজাত হচ্ছে বলেও জানান বক্তারা।
এতে সাধারণ ক্রেতা প্রতারণার শিকারের পাশাপাশি যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, পরিবেশকদের ব্যবসা হুমকির মুখে। তাই অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা জরুরি।
অনুষ্ঠানে ২২টি কোম্পানির প্রতিনিধিসহজেলার এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরা অংশ নেন।