হিমাগারে সর্বোচ্চ দাম ২৭ টাকা কেজি নির্ধারণ করা থাকলেও ৩০ টাকা দরে আলু বিক্রি করছেন মুন্সীগঞ্জের কৃষক ও আলুর মজুদদাররা। তাদের দাবি, তিন টাকা বাড়তিতে আলু বিক্রি করার অনুমতি দিয়েছেন খোদ জেলা প্রশাসকই।
যদিও মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের দাবি, তিনি এমন কোনো অনুমতি তিনি দেননি। তবে হিমাগার মালিকরা বলছেন, তারা চান সরকারি দামেই আলু বিক্রি হোক।
গত বৃহস্পতিবার আলুর কেজি হিমাগারে সর্বোচ্চ ২৭ টাকা বেঁধে দেয়ার পর থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত আলু বিক্রি বন্ধ রাখে মুন্সীগঞ্জের আলুর কারবারিরা।
পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর বুধবার কিছু আলু হিমাগার থেকে বের করে সেডে রেখে শুকিয়ে বস্তায় ভরে বিক্রি হয়েছে। তবে তা প্রতি কেজি ৩০ টাকায়।
সরকারের বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে কেন কেজিতে তিন টাকা বেশি দামে আলু বিক্রি করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে আলুর মজুদদাররা বলেন, ৩০ টাকা রেটে আলুর বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন খোদ মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক।
মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু জাফর রিপন বলেন, সরকারি সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সুতরাং হিমাগার থেকে ৩০ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি করার কথা।
অভিযোগ আছে, গেলোবারের দাদনের টাকা উঠিয়ে নেয়ার আশায় কৃষক ও মজুদদারদের আলু বিক্রিতে নিরুৎসাহীত করছে হিমাগার মালিকরা। যদিও এমন অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেন তারা।
টঙ্গিবাড়ী হিমাগারের ব্যবস্থাপক আব্দুল মালেক মৃধা ও রিভারভিউ কোল্ড স্টোরেজের স্বত্ত্বাধিকারী গোলাম মোস্তফা বলেন, হিমাগারে খাতা দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে কার কত আলু আছে। তাদের বেছে বেছে ধরলে আলুর বাজার নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।