নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর বালু নদীতে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, শিশুটিকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে ফোন করে দাবি করা হয় টাকা।
সোমবার সন্ধ্যায় খিলগাঁও কায়েতপাড়া বাজারের উত্তর পাশে বালু নদীর পানিতে ভাসমান ওই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে শুক্রবার মেলা দেখতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় শিশুটি।
শিশুটির নাম মো. স্বাধীন (৯)। সে রূপগঞ্জ উপজেলার নাওড়া গ্রামের (গ্রিলের) ঠিকাদার শাহিনুর রহমানের ছেল। স্বাধীন নাওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
খিলগাঁওয়ের রাজাখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় বালু নদীতে এক শিশুর মরদেহ ভেসে থাকার খবর আসে। পরে ঘটনাস্থল থেকে অর্ধগলিত মরদেহ করে ময়নাতদন্তের জন্য জন্য ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়।
শিশুটি হত্যা করা হয়েছে দাবি করে ফুপা আব্দুর রহিম ঢামেক মর্গে সাংবাদিকদের বলেন, গত এক ডিসেম্বর বিকেলে পাশের এলাকায় বসুলিয়ায় মেলা দেখতে যাওয়ার কথা বলে স্বাধীন বের হয়। পরে আর ফেরেনি। অনেক খোঁজ করে না পেয়ে পরের দিন রূপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
তিনি জানান, এই সময়ের মধ্যে রাসেল নামে একজন ভ্যানচালক পরিচয় দিয়ে স্বাধীনের বাবাকে ফোন করেন। তিনি জানান, আপনার শিশুকে নতুন বাজার এলাকায় দেখেছি, মোবাইল ৮০০ টাকা পাঠিয়ে টিটি পাড়ায় আসুন।
তার কথা মতো সেখানে গেলে তিনি বলেন, আমি এখন সদরঘাটে চলে এসেছে। আসাদ নামে একজনের কাছে শিশুটি আছে। কিন্তু সেই এলাকায় অনেক খোঁজে করেও পাইনি। পরে ওই ব্যক্তির ফোন বন্ধ পাই।