ফরিদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কর্মসূচি প্রত্যাহার

ফরিদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সব কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একাধিক সমন্বয়কারী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।

ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী সভাপতিত্বে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মোহাম্মদ আরমান হোসেন, মেহেদী হাসান, ফাহাদ রহমান, রাকিব হোসেন প্রমুখ।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কারীরা বলেন, সারা বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন হয়। এই আন্দোলনে অনেকে অপ্রত্যাশিতভাবে আহত ও নিহত হয়েছে। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় অনেক সম্পদ যেমন মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, সেতু ভবন, বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে, যা কখনই কাম্য নয়।

আমরা এই সব অনাকাঙ্খিত ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের দাবি জানাই।

বক্তারা বলেন, আমদের প্রধান দাবি ছিলো কোটার যৌক্তিক সংস্কার, যা ইতিমধ্যেই সরকার আপিল বিভাগের নির্দেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করেছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, এখন সব ধরণের সরকারি চাকরিতে ৯৩ শতাংশ মেধা, পাঁচ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা, এক শতাংশ ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী এবং এক শতাংশ প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য রাখা কোটা রাখা হয়েছে, যা সাধারণ শিক্ষার্থীরা সাদরে গ্রহণ করেছে। এই জন্য সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তারা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের যৌক্তিক দাবি পূরণ হওয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ফরিদপুরের উদ্যোগে যে সমস্ত আন্দোলন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিলো তা প্রত্যাহার করা হলো।

শেষে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।