প্রিয়জনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে মানুষ।
শনিবার (২৯ মার্চ) ভোর থেকে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরা মানুষের ঢল নামে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরি ঘাটে।
নদীর মানিকগঞ্জ প্রান্ত থেকে ছেড়ে আসা প্রায় প্রতিটি লঞ্চে ছিলো ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী। একই চিত্র দেখা গেছে ফেরি ঘাটেও। ফেরিতে যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেটকারের সাথে পাল্লা দিয়ে পার হচ্ছে মোটরসাইকেল। ভেঙে ভেঙেও যাচ্ছেন যাত্রীরা।
দৌলতদিয়া ঘাটে যানের কিছুটা ধীরগতি থাকলে ভোগান্তি ছিলো কম। কর্মস্থল থেকে বাড়িফেরা যাত্রীরা জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর এখনও পর্যন্ত ভোগান্তি কম। এছাড়া ছিলো না বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক নূর মোহাম্মদ ভুঁইয়া জানান, ঈদযাত্রায় পারাপার নির্বিঘ্ন করতে এই রুটে বর্তমানে ১৬ ফেরি চলছে। দৌলতদিয়া থেকে চালু করা হয়েছে আরো একটি চ্যানেল।
দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. এনামূল হক বলেন, ঈদের যাত্রীদের নিরাপত্তায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। চুরি-ছিনতাই ও ফেরিতে জুয়া খেলা বন্ধে পদ্মা ও যমুনা নদীতে টহল চলমান আছে।