চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নানের নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নানসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত উপজেলার পৃথক স্থানে এসব ঘটনা ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর গুপ্টি ইউনিয়নের ষোলধানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খাজুরিয়া বাজার ও রুপসা বাজার এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নান ও বিএনপির প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদের সমর্থকদের মধ্যে চার দফা হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে হোগলী এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর উঠান বৈঠকে ধানের শীষের সমর্থকেরা মিছিল নিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করে।
রাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নান দাবি করেন, তার গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুর করা হয়েছে। তিনি নিজে আহত হয়েছেন। এছাড়া সাবেক পৌর মেয়র মঞ্জিল হোসেন, যুবদলের আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম পাটওয়ারী, বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ, জসিম পাটোয়ারী, বিএনপি নেতা ইউসূফ, শ্রমিক দলের সভাপতি আলী হোসেন ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেনসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
এদিকে রুপসা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইমাম বাবু জানান, গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রুপসা বাজারে এসে ধানের শীষের কর্মীদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায় চিংড়ি প্রতীকের সমর্থকরা। এ সময় ফারুক (৩৫), অহিদুল্লাহ (৪০) ও শাহাদাত হোসেন (২০) আহত হন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নামধারী হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান তিনি।
ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়ার নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
ইউএনও জানান, কোনো পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হলে মামলা নেওয়া হবে।