মোংলায় ডুবে যাওয়া জাহাজ থেকে কয়লা তোলা শুরু

মোংলা বন্দরের পশুর নদীতে ডুবে যাওয়া কার্গো জাহাজ থেকে কয়লা তোলা শুরু হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২টা থেকে এস্কেভেটর দিয়ে এই কয়লা অপসারণের কাজ শুরু করে মালিকপক্ষ।

শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টায় পশুর নদীর চরকানা এলাকায় ‘এমভি প্রিন্স অব ঘষিয়াখালী-১’ নামের কার্গো জাহাজটি ৮০০ টন কয়লা নিয়ে ডুবে যায়।

জাহাজের মালিক মো. বশির হোসেন জানান, কার্গো জাহাজটি ডুবে যাওয়ার ২৭ ঘণ্টা পর জাহাজ থেকে কয়লা অপসারণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কয়লা তোলার পর কার্গো উত্তোলনের কাজ করা যাবে।

তিনি আরও জানান, কয়লা অপসারণের কাজে ‘ফারহা’ নামক একটি ট্রাগবোট ও অপসারণ করা কয়লা রাখার জন্য ‘মা বুশরা’ নামের অন্য একটি নৌযান ঘটনাস্থলে আনা হয়েছে।

তিনি ধারণা করছেন- দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে কয়লাগুলো তোলার পর ডুবে যাওয়া কার্গো জাহাজটিও উত্তোলন করা সম্ভব হবে।

মোংলা বন্দরের ফেয়ারওয়েতে অবস্থানরত মার্শাল আইল্যান্ড পতাকাবাহী ‘এমভি দুবাই নাইট’ জাহাজ থেকে ৮০০ টন কয়লা বোঝাই করে যশোরের নোয়াপাড়া যাওয়ার সময় শুক্রবার দুপুরে পশুর নদীর চরকানা এলাকায় তলা ফেটে ডুবে যায় ওই কার্গো জাহাজটি। তবে এ ঘটনায় বন্দর চ্যানেলে জাহাজ চলাচলে স্বাভাবিক রয়েছে জানায় বন্দর কর্তৃপক্ষ।

এদিকে কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবির ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মো. নুর আলম শেখ বলেন, কয়লা একটি বিষাক্ত ময়লা। এতে পশুর নদীর প্রাণী বৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে। নদীর প্রাণীকুলের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হবে। এছাড়া পশুর নদীর প্রাণ সুন্দরবনেরও জীব বৈচিত্র্যও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তাই দ্রুত সময়ে এই কয়লা অপসারণের তাগিদ দেন তিনি।