বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মীর শওকাত আলী বাদশার এপিএস ও খাদ্য পরিদর্শক অচীন কুমার দাসের ২ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের ভিত্তিতে বাগেরহাটের সিনিয়র স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) মো. আশরাফুল ইসলাম এই নির্দেশ জারি করেন।
বাগেরহাট দুদক জেলা কার্যালয় গত মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অচীন কুমার দাস তার চাকরির পাশাপাশি তৎকালীন এমপির এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাগেরহাট দুর্নীতি দমন কমিশন জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সাইদুর রহমান জানিয়েছেন, খাদ্য পরিদর্শক অচীন কুমার দাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২৪ সালের শেষ দিকে বাগেরহাট দুদক জেলা কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অনুসন্ধান শুরু করে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, অচীন কুমার দাস, তার মা কল্পনা রানী দাস, প্রথম স্ত্রী ও পরিবার কল্যাণ সহকারী সংগীতা সেন এবং দ্বিতীয় স্ত্রী ঝিমি মণ্ডল জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে সম্পদ অর্জন করে ভোগ-দখলে রেখেছেন। তাদের নামে অর্জিত এই সম্পদ বেহাত করার চেষ্টার প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বাগেরহাট সিনিয়র স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতে সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করার জন্য আবেদন করে। এই আবেদনের ভিত্তিতে বাগেরহাট সিনিয়র স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালত এই আদেশ জারি করেছেন।