যশোরের নাতনিকে উত্ত্যক্তের (ইভ টিজিং) প্রতিবাদ করায় নানাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে। এঘটনায় থানায় মামলার পর পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
নামের এক রাজমিস্ত্রিকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে।
সোমবার (৮ জুন) রাতে জেলার মণিরামপুর উপজেলার স্মরণপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম ইমামুল হোসেন (৫০)। তিনি জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার ফারাসাতপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, ইমামুল হোসেনের নাতনিকে এলাকার কয়েকজন যুবক দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিলো। ইমামুল এর প্রতিবাদ করায় সোমবার রাতে ওই যুবকদের সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। এর জের ধরে ওই রাতেই বাড়ি থেকে কিছু দূরে স্মরণপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ইমামুল ইজিবাইক থেকে নামামাত্রই তার ওপর হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে রবিউল, হোসাইন, রাকিব, মেহেদী ও রাব্বিসহ কয়েকজন যুবক ধারালো অস্ত্র, দা ও লাঠি নিয়ে ইমামুলের ওপর এলোপাথাড়ি হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর জখম হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মধ্যরাতে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৯ জুন) নিহতের স্ত্রী রেশমা খাতুন বাদি হয়ে মণিরামপুর থানায় ১১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর পুলিশ হোসাইন নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।
মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবু সাঈদ বলেন, খবর পেয়ে মণিরামপুর ও ঝিকরগাছা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।