ভারতের কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার এস এম আলিমুজ্জামান সাজুর (৫০) মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা ১২টা ১০ মিনিটে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের কাছে বিএসএফ ও ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তার মরদেহ হস্তান্তর করে।
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ সজীব বালা জানান, দুপুরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও সে দেশের ইমিগ্রেশন পুলিশ সাজুর মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করে। ভোমরা বিওপি বিজিবির উপস্থিতিতে ইমিগ্রেশন পুলিশ মরদেহ গ্রহণ করার পর নিহতের ভাই নুরুন্নবীর কাছে তুলে দেওয়া হয়।
এর আগে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে মোট সাতজন বাংলাদেশি প্রাণ হারান। তাদের মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সাজুর মরদেহ ভোমরা দিয়ে হস্তান্তর করা হলেও, দুর্ঘটনায় নিহত অপর বাংলাদেশি রেবতী সরকারের মরদেহ ভারতেই সৎকার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে তার পরিবার।
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের বাসিন্দা নিহত রেবতী সরকারের ছেলে অনিক সরকার জানান, প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে নিউমার্কেট থানার পুলিশ মরদেহ হস্তান্তর করবে। এর পর কলকাতাতেই মায়ের সৎকার সম্পন্ন করতে চান তারা।
কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মো. খালেদ জানান, নিহত রেবতী সরকারের পরিবার কলকাতাতেই সৎকারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে এর জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।