শেরপুর-৩ আসনে পাঁচজনের মনোনয়ন জমা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

সোমবার (২ মার্চ) মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন প্রয়াত নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই মো. মাসুদুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এর আগে চারজন মনোনয়ন জমা দেন।

এদিকে জামায়াতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন শেরপুর-৩ আসনের তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল। নির্বাচন স্থগিত হওয়ার আগেও তিনিই দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপির বিদ্রোহী আমিনুল ইসলাম বাদশা, ইসলামী আন্দোলনের আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত মিজানুর রহমান বৈধ প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন।

গত তিন  ফেব্রুয়ারি জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুজ্জামান বাদলের আকস্মিক মৃত্যুতে আসনটির নির্বাচন স্থগিত করেছিল নির্বাচন কমিশন। 

নির্বাচনী আমেজ কিছুটা স্তিমিত থাকলেও জামায়াত প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকে পুরো এলাকায় পুনরায় উৎসবের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

ঘোষিত নতুন তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে পাঁচ মার্চ। এরপর আপিল ছয় থেকে ১০ মার্চ, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১৪ মার্চ, প্রতীক বরাদ্দ ১৫ মার্চ এবং ভোট গ্রহণ ভোটগ্রহণ ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।

শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী—এই দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে মোট চার লাখ ১৩ হাজার ২৭৭ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

শেরপুরের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তফসিলে বর্ণিত তারিখ অনুযায়ী প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন হবে।