ম্যাসেঞ্জারে বিরক্তের পর ঘরে ঢুকে ভাড়াটিয়াকে ধর্ষণ, মালিক গ্রেপ্তার

শেরপুরে ভাড়াটিয়া এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে বাড়ির মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে উত্তেজিত জনতা তাকে ধরে এনে পিটুনি দিয়ে পুলিশের সোপর্দ করে।

শনিবার (২৩ মে) দুপুরে শেরপুর পৌর মঞরের সজবরখিলা মহল্লায় এই ঘটনা ঘটে। পরে রাতে ভুক্তভোগী গৃহবধূর পরিবার বাদিয়ে হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করে। এরপর রাতে শহরের খোয়ারপাড়া শাপলাচত্বর মোড়ে অভিযুক্তকে ধরে এনে পিটুনি দেয় জনতা।

অভিযুক্তর নাম এনামুল হক (৩৮)। তিনি ওই বাড়ির মালিক এবং শেরপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, প্রায় পাঁচ মাস আগে শেরপুর শহরের সজবরখিলা মহল্লায় অভিযুক্ত এনামুল হকের বাসায় ভাড়া ওঠেন ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী। গৃহবধূর স্বামী একটি আসবাবপত্রের দোকানে কাজ করার সুবাদে দিনের বেলা বাইরে থাকতেন। এই সুযোগে বাড়ির মালিক এনামুল বিভিন্ন সময় মেসেঞ্জারে ওই গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। একপর্যায়ে শনিবার দুপুরে এনামুল কৌশলে গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করেন এবং তার মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন। পরে গৃহবধূ বিষয়টি তার স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের জানান। এর জের ধরে সন্ধ্যার দিকে গৃহবধূর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা এনামুলকে অবরুদ্ধ করেন এবং পরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন।

এদিকে এনামুলের গ্রেপ্তারের পর তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শনিবার রাতে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে বিক্ষোভ মিছিল করেন স্থানীয় জনতা। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা শেরপুর সদর থানার সামনে গিয়েও অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার জানান, রোববার আদালতের মাধ্যমে এনামুলকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।