খতনা করাতে গিয়ে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় পড়েছে আরেক শিশুর জীবন। এবারের ঘটনা হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে। খতনা করার কেটে ফেলা হয়েছে ওই শিশুর লিঙ্গের মাথার মাংস।
ভুক্তভোগী ১৩ বছর বয়সী তামিম মিয়ার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সিলেটে একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, গত বুধবার বিকেলে ১৩ বছর বয়সী তামিমকে খতনা করাতে নবীগঞ্জের কেয়ার মেডিকেল সার্ভিসেসে নিয়ে যান তার বাবা আব্দুস শহীদ।
এসময় পাঁচ হাজার টাকায় শিশুটির খতনা করেন ডা. জহিরুল ইসলাম জয়। কিন্তু খতনার সময় পুরুষাঙ্গের সামনের অংশের মাংস কেটে ফেলায় মারাত্মক রক্তক্ষরণ শুরু হলে তামিমকে সিলেট পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তামিমের চাচা হারুন মিয়া। ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুক আলী।
জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি বাজারে দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে কেয়ার মেডিকেল সার্ভিসেস। কিন্তু ব্যক্তি মালিকানাধীন ওই হাসপাতালের কোনো নিবন্ধন নেই।
গত ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর সাঁতারকুলের ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খতনা করার পর মৃত্যু হয় শিশু আয়ানের। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়নের মধ্যেই বিভিন্নস্থানে খতনার সময় চিকিৎসকদের ভুল করার বিষয় উঠে আসছে।