দেশে ফিরেছে সাবেক ছাত্র নেতা পান্নার মরদেহ

ভারতের মেঘালয়ে নিহত নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের ছাত্রনেতা ইসহাক আলী খান পান্নার মরদেহ দেশে ফিরেছে।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিলেটের তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তার মরদেহ ফেরত পাঠানো হয়।

সিলেট জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা সম্রাট তালুকদার বলেছেন, পান্নার মরদেহ নিয়ে তার স্বজনরা পিরোজপুরে গ্রামের বাড়ির পথে রওয়ানা দিয়েছেন।

ইসহাক আলী খান পান্না ১৯৯৪ সালে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১২ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের পর তিনি দলের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহসম্পাদক হন।

মেঘালয় পুলিশ জানায়, গেলো ২৬ আগস্ট রাজ্যটির পূর্ব জৈন্তিয়া পাহাড়ের দোনা ভোই গ্রামের একটি সুপারি বাগানের মধ্যে পান্নার আধা পচা মরদেহ পাওয়া যায়।

এলাকাটি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে। পান্নার কাছে থাকা পাসপোর্ট থেকে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

পান্নার ময়নাতদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, তার মৃত্যুর কারণ হলো শ্বাসরোধের কারণে সৃষ্ট শ্বাসকষ্ট।তার মরদেহ ফরেনসিক বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

এছাড়াও ইসহাক আলী খান পান্নার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন এবং তার কপালে আঘাত ও ক্ষত চিহ্ন রয়েছে বলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের সূত্র দিয়ে জানায় ভারতের এনডিটিভি।

এর আগে, স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পান্নার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠাতে ভারত সরকারকে অনুরোধ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

নানান প্রক্রিয়া অনুসরণ শেষে শনিবার মেঘালয় পুলিশ তার মরদেহ তামাবিল পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। মরদেহ হস্তান্তরের সময় নিহত পান্নার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।