হবিগঞ্জ সদর থানায় আটকের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্তি পেয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান। মঙ্গলবার, দুপুর দুইটার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা থেকে স্বজনদের জিম্মায় তিনি মুক্ত হন।
মুক্তির পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সদস্য সচিব মাহদী হাসান গণমাধ্যমকে জানান, সোমবার বিকেলে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ প্রাঙ্গণে 'সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা'র ব্যানারে একটি প্রতিবাদী বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। পরে মিছিলের প্রস্তুতির সময় পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায়।
মাহদী হাসান ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট মামলা বা লিখিত অভিযোগ ছিল না। কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে আমাদের প্রায় ২১ ঘণ্টা থানায় আটকে রাখা হলো।
অন্যদিকে, কোনো প্রকার মামলা ছাড়া কেন তাঁদের দীর্ঘ সময় আটকে রাখা হলো এবং পরবর্তীতে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হলো, এ বিষয়ে জেলা পুলিশ বা হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সংবাদকর্মীরা একাধিকবার থানা পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
মাহদীর বাবা মাওলানা তৈয়ব আলী বলেন, তার ছেলেকে আটকের পর ২১ ঘণ্টা থানায় রাখা হয়। পরে মঙ্গলবার দুপুরে মুচলেকা রেখে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে কী মুচলেকা নেয়া হয়েছে বা তাতে কী লেখা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ কোনো তথ্য দেয়নি।