আগামী বছরের প্রথম দিনে বই উৎসব না হলেও, নতুন বছরের শুরুর দিন থেকেই পর্যায়ক্রমে বই পেতে শুরু করবে শিক্ষার্থীরা। এরই মধ্যে ৯৫ শতাংশ বই পৌঁছে গেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
করোনার কারণে গত বছর বই উৎসব না হলেও, বই বিতরণ হয়েছে। নতুন বছরও করোনার কারণেই স্বাস্থবিধি মানার প্রয়োজনেই বই উৎসব হচ্ছে না।
তবে প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে বছরের প্রথম দিন থেকে তারা তাদের শিডিউল ঠিক করবে, কবে কোন ক্লাসের বই বিতরণ করা হবে।
আর বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে পাঠ্যবই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যদিও এখনো পরীক্ষামূলক কারিকুলামের সব বইয়ের বিষয়বস্তু তৈরি হয়নি।
নতুন বছর শুরু হতে আর মাত্র দুইদিন বাকি। বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে এখনো চলছে বইছাপার কাজ।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের হিসেবে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৫ কোটি বইয়ের ৯৫ শতাংশ চলে গেছে দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
আরও পড়ুন: যেভাবে জানা যাবে এএসসি পরীক্ষার ফল
বৃহস্পতিবার সকালে আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এসএসসির ফল প্রকাশের পরই ভার্চুয়ালি বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এনসিটিবি বলছে, কিছু বই ছাপানো বাকি থাকলেও পর্যায়ক্রমে সব বই পাবে শিক্ষার্থীরা। সেভাবে বই ছাপানোর কাজও এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।
প্রশ্ন উঠছে প্রাথমিক আর মাধ্যমিকের ৬০টি করে প্রতিষ্ঠানের আসন্ন নতুন কারিকুলামের পাইলটিং নিয়ে। যেখানে এখনো ষষ্ঠ শ্রেনীর ১৩টির মধ্যে ইংরেজী বই তৈরি হয়নি।
এর জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন, এসব কাজে আরো সপ্তাহখানেক সময় লাগবে। ক্লাস শুরুর আগেই নতুন কারিকুলামের পাইলটিং হয়ে যাবে।
প্রশ্ন উঠেছে নতুন কারিকুলামের গোজামিলের বিষয়ে। এনসিটিবি বলছে, এতো সময় নিয়ে এর আগে কারিকুলাম হয়নি। ফলে গোজামিলের প্রশ্নই উঠে না।
আসছে ফেব্রুয়ারীতে মাধ্যমিকের ষষ্ঠ আর প্রাথমিকের প্রথম শ্রেণিতে হচ্ছে পাইলটিং। প্রাথমিকে তিন আর মাধ্যমিকের ১৩টি বই করা হচ্ছে। তৈরি করা হচ্ছে শিক্ষক নির্দেশিকা।
একাত্তর/টিএ