প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে ত্রুটির কারণ অনুসন্ধানে কমিটি গঠন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মোছা. নূরজাহান খাতুনকে প্রধান করে তিন সদস্যের ওই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (১ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (আইএমডি) এবং মন্ত্রণালয়ের সিস্টেম এনালিস্ট।
এই কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বৃত্তির ফলাফল প্রকাশের পরপরই ডিপিই থেকে তা স্থগিতের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ওইদিন দুপুরেই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বৃত্তির ফল প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।
সে সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। সংশোধন করে তা বুধবার আবার প্রকাশ করা হবে।
আরও পড়ুন: ইনস্যুরেন্স কোম্পানির অফিসে বসে হয়েছিল ছয়দফা: প্রধানমন্ত্রী
গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। এতে একেকটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের প্রতিটিতে ২৫ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে এই পরীক্ষা হয়।
২০০৯ সালে সর্বশেষ এ ধরনের বৃত্তির ফল তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘ ১২ বছর পর এবার প্রায় একই ধরনের বৃত্তির ফল তৈরি হলো।
বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রাথমিক শিক্ষা অধদিপ্তরের ওয়বেসাইট www.dpe.gov.bd এবং মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.mopme.gov.bd এবং স্থানীয়ভাবে বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয়, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় এবং উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে পাওয়া যাবে।
একাত্তর/আরএ