নির্বাচনী আমেজে মুখর ঢাবি, চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর কোন পদে কে যোগ্য তা নিয়ে চায়ের আড্ডায় উঠছে ঝড়। এদিকে, শেষমুহূর্তের প্রচার-গণসংযোগে ব্যস্ত প্রার্থীরা। 

ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে এবার বৈধ প্রার্থী ছিলেন ৪৪ জন। তবে বাগবিতণ্ডার জেরে রুমমেটকে ছুরিকাঘাত করায় একজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। ফলে শেষ পর্যন্ত ডাকসুর ভিপি পদে লড়বেন ৪৩ প্রার্থী। তবে, তাদের সবাইকে চেনেন না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী। ক্যাম্পাসের উৎসবমুখর প্রচারণায় আলোচনায় রয়েছেন হাতেগোনা কয়েকজন। 

এর আগে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে গত ২১ আগস্ট রাতে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করে ডাকসুর নির্বাচন কমিশন। আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের ভোটে ৪৩ জনের নামই থাকবে ব্যালট পেপারে।  

এদিকে, আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ক্লাসরুমে ভোট চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট প্যানেলের জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদের বিরুদ্ধে। তার ক্লাসরুমে যাওয়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসুর ৩৮ তম নির্বাচন হতে যাচ্ছে এবার। তবে ১৯৯০ সালের পর হচ্ছে দ্বিতীয়বারের মতো।

১৯২৩ সালে ডাকসু প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৭ বার নির্বাচন হয়েছে। সবশেষ ২০১৯ সালের নির্বাচনে ভিপি হন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নুরুল হক নুর। জিএস নির্বাচিত হয়েছিলেন ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ) গোলাম রাব্বানী। 

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ডাকসুর ভিপি নির্বাচিত হন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন থেকে প্রার্থী হওয়া মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মাহবুবুর জামান।