বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন প্রত্যাহার, নতুন চার দাবি

কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের আট দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নসহ আরও নতুন চারটি দাবি জানিয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

শনিবার বিকেলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি তুলে ধরা হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক সুজয় শুভ বলেন, পহেলা জুলাই থেকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা সংস্কারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে আসছি। ইতিমধ্যে আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছে ও প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করলেও দেশব্যাপী নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষিতে আমাদের অনেক ভাই-বোন আহত ও নিহত হয়েছেন। আমরা কারো অসৎ উদ্দেশ্য সাধনের হাতিয়ার হয়ে আন্দোলনে আসিনি। সন্ত্রাস, সহিংসার সঙ্গে কোনো শিক্ষার্থী যুক্ত নয়।

শুভ যে নতুন চারটি দাবির কথা জানান সেগুলো হলো-

  • আমাদের হল দ্রুত সময়ের মধ্যে খুলে দিতে হবে
  • বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার সাধারণ জনগণকে কোনো ধরনের মামলায় হয়রানি করা যাবে না
  • শিক্ষার্থীদের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক কোনো ধরনের হয়রানি করা যাবে না
  • ক্যাম্পাসে নিরাপদ এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের আন্দোলন স্থগিত করিনি। তবে এই মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও নানা বাস্তবতায় কোনো কর্মসূচি নেই। সারাদেশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে আমরা আমাদের করণীয় পরবর্তীতে ঘোষণা করবো।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কোটা সংস্কারের দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে থাকা মাহমুদুল আলম রাজিব, ভূমিকা সরকার, সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।