প্রতিবছরের মতো এবারও টাইম ম্যাগাজিন সেরা ১০ সিনেমার তালিকা তৈরি করেছে। এই তালিকায় রোম্যান্স, কমেডি, মিউজিক্যাল, ক্রাইম, ওয়েস্টার্ন, যুদ্ধ ইত্যাদি জনরার সিনেমা স্থান পেয়েছে। তবে এখানে এশিয়ান সিনেমা রয়েছে মাত্র একটি। সিনেমাগুলো হলো,
১. ফলেন লিভস
ফিনিশ চলচ্চিত্র নির্মাতা আকি কৌরিসমাকিকে বলা হয় ডেডপ্যান মানবতাবাদী কমেডির গুরু। তার নির্মিত ফলেন লিভস সিনেমাটি গড়ে উঠেছে, কর্মঠ নারী আলমা পয়স্তি ও বেকার ও মাদকাসক্ত জুসি ভাটানের প্রেমের কাহিনি নিয়ে। এই সিনেমায় একটি কুকুরের গল্পও রয়েছে, যে তার মালিকের জন্য যেকোনো কিছু করতে পারে। মূলত এখানে দুজন নিঃসঙ্গ মানুষের কথা বলা হয়েছে।
২. মায়েস্ত্রো
মায়েস্ত্রো সিনেমাটি আমেরিকান সুরকার লিওনার্ড বার্নস্টেইনের বায়োপিক। এখানে বার্নস্টেইন ও তার স্ত্রী ফেলিসিয়া মন্টেলেগ্রের মধ্যকার সম্পর্ককে দেখানো হয়েছে। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন, ব্র্যাডলি কুপার।
৩. দ্য জোন অব ইনট্রেস্ট
‘দ্য জোন অব ইনট্রেস্ট’ নির্মাণ করা হয়েছে মার্টিন অ্যামিসের ২০১৪ সালের একটি উপন্যাসের ওপর। জনাথন গ্লেজার পরিচালিত এই সিনেমায় দুজন স্বামী স্ত্রীর একটি স্বপ্নের জীবন গড়ার প্রচেষ্টাকে দেখানো হয়েছে। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং পোল্যান্ডের সহপ্রযোজনায় নির্মিত হইছে।
৪. প্রিসিলা
প্রিসিলা হলো একটি বায়োপিক। সান্দ্রা হারমনের ‘এলভিস অ্যান্ড মি’র গল্প থেকে সিমেনাটি তৈরি করা হয়েছে। যেখানে তিনি ১৯৮৫ সালের স্মৃতিকথা বলেছেন। সিনেমাটির নির্মাতা হলেন, সোফিয়া কপোলা।
৫. ভ্যুওর প্যারিস
এই সিনেমাতে দেখা যায়, প্যারিসের বাটাক্লান কনসার্ট হলে ২০১৫ সালে একটি সন্ত্রাসী হামলা হয়। এই সিনেমার নারী চরিত্র কোনোভাবেই সেদিনের কথা মনে করতে পারছিলেন না। কিন্তু তিনি ওই হামলার একজন ভুক্তোভুগী। এই ঘটনা নিয়েই গড়ে উঠেছে ভ্যুওর প্যারিস সিনেমার গল্প।
৬. পাস্ট লাইফ
পাস্ট লাইফ হলো, লেখক,পরিচালক সেলিন সং-এর রোমান্টিক ড্রামা ফিল্ম। এই সিনেমায় দেখা যায়, নোরা এবং হে সুং নামের দুই শৈশবের বন্ধুর ২০ বছর পর হঠাৎ দেখা হয়। আর এই ঘটনাকে ভিত্তি করেই এই সিনেমার গল্প শুরু।
৭. কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন
মার্টিন স্কোরসেসের কিলারস অফ দ্য ফ্লাওয়ার মুন সিনেমাটি ডেভিড গ্রানের একটি বইয়ের এডাপ্টেশন। যেখানে দেখা যায় কিছু লোভী সাদা লোক কীভাবে ওসাগা আদিবাসীদের হত্যা করে। এই সিনেমায় রবার্ট ডি নিরো ও লিওনার্দো ডিকাপ্রিয়ো অভিনয় করেছেন।
৮. আর ইউ দ্যায়ার গড? ইট'স মি মার্গারেট
এই সিনেমার কাহিনী মূলত মহিলাদের সমস্যাকে ঘিরে উঠেছে। মেয়েদের ঋতুস্রাব নিয়ে যেসব বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এখানে এই গল্প বলা হয়েছে। এটি তরুণদের জন্য দারুণ একটি সিনেমা।
৯. ড্রিমিন ওয়াইল্ড
এই সিনেমাটি প্রেম ও মুক্তির সত্য গল্প নিয়ে। ড্রিমিন ওয়াইল্ড একটি বায়োগ্রাফিকাল সিনেমা। যেখানে দুজন ভাইয়ের গল্প বলা হয়েছে।
১০. প্যাসেজ
প্যাসেজে দেখা যায়, এক সমকামী দম্পতির একজন যুবতীর সাথে আবেগপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠলে তারা বিয়ে নিয়ে সংকটে পড়ে যান। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ইরা শ্যাক্স।