বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার র্যাপিড অ্যালার্ট টিম সতর্ক করায় তিনটি প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পাঁচটি সিরাপ জাতীয় ওষুধ ও ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউটের উৎপাদিত একটি ভ্যাকসিন ব্যবহার না করতে জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
বুধবার (২ নভেম্বর) ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আসরাফ হোসেনের সই করা দুটি নোটিসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
একটি নোটিসে বলা হয়, পিটি কনিমেক্স, পিটি ইয়ারিন্দো ফার্মাটামা ও ইউনিভার্সাল ফারমাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের পাঁচটি পদের সিরাপের বিষয়ে ইন্দোনেশিয়ার ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ দেশটিতে এলার্ট জারি করেছে বলে বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরকে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার র্যাপিড অ্যালার্ট টিম। উক্ত সিরাপগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে ইথিলিন গ্লাইকল এবং ডাই ইথিলিনগ্লাইকল পাওয়া যাচ্ছে বলে র্যাপিড অ্যালার্ট টিম অবগত করেছে।
সিরাপ পাঁচটি হলো- টারমোরেক্স সিরাপ, ফ্লুরিন ডিএমপি সিরাপ, ইউনিবেবি কফ সিরাপ, ইউনিবেবি ডিমাম প্যারাসিটামল ড্রপস, ইউনিবেবি ডিমাম প্যারাসিটামল সিরাপ।
আরেক নোটিসে বলা হয়, MEASLES MUMPS AND RUBELLA VACCINE TRESIVAC-এর একটি নকল ব্যাচ বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার র্যাপিড অ্যালার্ট টিমকে অবগত করেছে ভ্যাকসিনটির উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইন্সটিটিউট।
এর প্রেক্ষিতে এই ভ্যাকসিন ও পাঁচটি সিরাপ ব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য এবং এ সংক্রান্ত বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানায় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
আরও পড়ুন: সেরে উঠছেন মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা
উল্লেখ্য, গত মাসে ইন্দোনেশিয়ায় সিরাপ জাতীয় ওষুধ খেয়ে প্রায় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়। এসব সিরাপ সেবনের ফলে সেসব শিশু গুরুতর কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত হয় বলে তদন্তে উঠে আসে।
এর আগে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ায়ও কাশির সিরাপ খেয়ে ৭০ শিশুর মৃত্যু হয়।