এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে গেলো ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪৬০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এ সময়ে কারও মৃত্যু হয়নি।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ৫৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ১২৫ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ৭১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ১৪৫ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ২৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ৩৩ জন ও সিলেট বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন রয়েছেন।
এদিকে গেলো ২৪ ঘণ্টায় ৫১২ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। আর চলতি বছরে এ যাবত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন মোট ৭৯ হাজার ৪৬০ জন রোগী।
চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৮৩ হাজার ৬৬ জন। এর মধ্যে ৬১ দশমিক এক শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ দশমিক ৯ শতাংশ নারী রয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি। চলতি বছরে এ যাবত ডেঙ্গুতে মোট ৩২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৪ সালে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৫৭৫ জনের। একইসময়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন।
দেশের ইতিহাসে ২০২৩ সালে সবচেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ও মৃত্যুবরণ করেছেন। বছরের বিভিন্ন সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। এর মধ্যে এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়।
২০২২ সালে ডেঙ্গুতে দেশে ২৮১ জন মারা যান। ওই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৬২ হাজার ৩৮২ জন।
২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গু সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে এডিস মশাবাহী এই রোগে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। সে বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিলো।