মেক্সিকোর কুখ্যাত মাদক সম্রাট এল চ্যাপোর ভাইসহ চার মেক্সিকান ড্রাগ কার্টেল নেতাকে গ্রেপ্তার ও দোষী সাব্যস্ত করতে যারা সহায়তা করবে, তাদের ৫০ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পুরুস্কার দেবে যুক্তরাষ্ট্র। যা বাংলাদেশী টাকার হিসেবে প্রায় ৪০ কোটি টাকা।
এ পুরস্কার ঘোষণার পর মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ড্রাগ লর্ড এল চ্যাপোর ভাই রুপার্টো সালগুইরো-নেভারেজ, হোসে সালগুইরো-নেভারেজ এবং হেরিবার্তো সালগুইরো-নেভারেজকে ধরতে সকল চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (৫ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেছেন, এই আন্তর্জাতিক ড্রাগ লর্ডদের বিরুদ্ধে গাঁজা, কোকেন, মেথামফেটামিন এবং ফেন্টানাইল সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে।
প্রাইস আরও বলেন, ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাদক সেবনের ফলে কমপক্ষে ৯৬ হাজার সাতশ' ৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে অত্যন্ত বিপজ্জনক মাদক সিন্থেটিক ওপিওড ফেন্টানাইল সেবনের ফলেই ৬৩ শতাংশের মৃত্যু হয়।
মেক্সিকোর অন্যতম কুখ্যাত মাদক পাচারকারী গোষ্ঠী সিনালোয়া কার্তেল ফেডারেশনের ছত্রছায়ায় ওই চারজন ব্যক্তি কাজ করে।
২০১৬ সালে গ্রেপ্তার হওয়ার আগ পর্যন্ত মাদক সম্রাট এল চ্যাপো ওই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে ছিলেন।
২০১৬ সালে গ্রেপ্তার হন এল চ্যাপো।
উল্লেখ্য, হোয়াকিন আর্চিভালদো গুজমান লোয়েরার জন্ম ১৯৫৭ সালে। তিনি একজন ম্যাক্সিকান ড্রাগ লর্ড এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ সিন্ডিকেট সিনালোয়া কার্তেলের সাবেক নেতা। তার স্বল্পোচ্চতার জন্যে তাকে 'এল চ্যাপো' নামে দাকা হয়। তার এই নাম সর্বাধিক পরিচিত। গুজমানকে পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাশালী মাদক পাচারকারীদের একজন হিসেবে ধরা হয়।
আরও পড়ুন: বিমান দুর্ঘটনায় ব্রাজিলের সঙ্গীত তারকা মেন্ডনকাসহ নিহত পাঁচ
২০১৭ সালে নেটফ্লিক্স ও ইউনিভিশন যৌথ প্রযোজনায় গুজমানের জীবনকাহিনী নিয়ে 'এল চ্যাপো' নামে একটি টিভি সিরিজ তৈরি করে। এছাড়া তার জীবনকাহিনী চিত্রায়িত হয়েছে নেটফ্লিক্সের সিরিজ 'নার্কোস' এর মধ্যমে।
একাত্তর/আরবিএস