সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত করোনার সবচেয়ে ভয়ংকর ধরন ওমিক্রন। এ ধরনটি নিয়ে প্রাথমিক তথ্য বিশ্লেষণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
সংস্থাটি বলেছে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে যারা সুস্থ হয়েছেন, তাদেরও এ ধরনে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
রোববার (২৮ নভেম্বর) ডব্লিউএইচও তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এসব তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করেছে।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, করোনার নতুন এ ধরন আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তিরা গুরুতর অসুস্থ হন কি না এটা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে ওমিক্রনের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার হাসপাতালে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
চলতি মাসের শুরু থেকেই দক্ষিণ আফ্রিকায় নতুন করে করোনা রোগী বাড়তে শুরু করে। সেখানে নতুন করে আক্রান্তদের ৯০ শতাংশের শরীরেই রয়েছে মিলেছে ওমিক্রন।
ওমিক্রনের বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে একাধিক গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছে ডব্লিউএইচও। বাজারে প্রচলিত বর্তমান টিকা দিয়ে নতুন এ ধরনকে আটকানো যাবে কি না, তা নিশ্চিত হতে কাজ করছে বিশেষজ্ঞদের দল।
আরও পড়ুন: ‘ওমিক্রন’ সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৫ পরামর্শ
এর আগে বিজ্ঞানীরা শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, নতুন ভ্যারিয়েন্ট চলমান করোনাবিরোধী লড়াইকে ব্যাহত করতে পারে।
এদিকে নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের ঘোষণার পরপরই আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগে কড়াকড়ি আরোপ করে যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, ইসরাইল, জার্মানি, চেক রিপাবলিক। ইউরোপিয় ইউনিয়নও ফ্লাইট নিষিদ্ধের সুপারিশ করেছে।
একাত্তর/আরবিএস