বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে ওমিক্রন

করোনার ওমিক্রন ধরন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে এবং কিছু অঞ্চলে এটি মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে। 

এসব হুশিয়ারি দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা- ডব্লিউএইচও বলেছে, ওমিক্রন নিয়ে বিস্তারিত তথ্য পেতে সময় লাগবে, তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা এখনই নিতে হবে। 

ডেল্টা, ডেল্টা প্লাসের পর করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বিশ্ব জুড়ে। দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হওয়া ভাইরাসের এই নতুন রূপ ঠিক কতটা সংক্রামক বা বিপজ্জনক, তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।  

সোমবার (২৯ নভেম্বর) তিন দিনব্যাপী শুরু হওয়া বিশেষ অধিবেশনে সংস্থাটি জানিয়েছে, ওমিক্রনে অভূতপূর্ব স্পাইক মিউটেশন হয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এগুলো মহামারির গতিপথ বদলে দিতে পারে।

এ সময়, টিকা বিতরণে বৈষম্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানোম গেব্রিয়াসুস। তিনি বলেন, ভাইরাসটির বিস্তার এবং এর পরিবর্তন ঠেকাতে সব দেশেই টিকাদান জরুরি। টিকাদানে বৈষম্য থাকলে করোনা আরো বিস্তৃতি লাভ করবে। 

আরও পড়ুন: ওমিক্রন রুখতে বর্তমান টিকাগুলো কম কার্যকর: মর্ডানা

জাতিসংঘের ১৯৪টি সদস্য দেশকে সম্ভাব্য সংক্রমণের ঢেউ ঠেকাতে বিশেষ গ্রুপের লোকদের মধ্যে টিকাদানের হার বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। 

ডব্লিউএইচওর আশঙ্কা, নতুন ধরনটি বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বিশ্বে। বাড়িয়ে দিতে পারে অসুস্থতা ও মৃত্যুর হার। 

অরক্ষিত জনগোষ্ঠীর ওপর এর হবে প্রভাব গুরুতর, বিশেষ করে কম টিকা দেয়া দেশগুলোতে। তবে এখনকার টিকা ওমিক্রনের ক্ষেত্রে কার্যকর কিনা সেটি জানতে আরো সময় লাগবে।

এছাড়া, করোনার নতুন রূপ নিয়ে আরো পাঁচ তথ্য দিয়েছে ডব্লিউএইচও। তাদের মতে, আগে যারা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, এ রকম ব্যক্তিরা আবারও খুব সহজেই আক্রান্ত হতে পারে ওমিক্রনে। তবে এর নতুন কোন উপসর্গ এখনো মেলেনি বলেও জানিয়েছে তারা। 

এদিকে বিভিন্ন দেশের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আতঙ্কিত হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার দেশগুলোর সাথে ফ্লাইট বাতিল না করারও আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।


একাত্তর/এসজে