ভারতের পশ্চিমবঙ্গে 'বাংলা আকাদেমি'র নতুন চেয়ারপার্সন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন নাট্যকার, পরিচালক, অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ ব্রাত্য বসু। সদ্য প্রয়াত ভারতীয় অভিনেত্রী শাঁওলি মিত্রের স্থলে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) পশ্চিমবঙ্গের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সচিব শান্তনু বসুর তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে লেখক মহাশ্বেতা দেবীর মৃত্যুর পর 'বাংলা আকাদেমি'র চেয়ারপার্সন নিযুক্ত হয়েছিলেন শাঁওলি মিত্র। ২০১৮ সালের শুরুতে পদ থেকে ইস্তফা দিলেও মাস কয়েকের মধ্যেই তিনি ফিরে আসেন, আমৃত্যু এই দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন শাঁওলি।
হিন্দুস্থান টাইমস বলছে, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের নির্দেশ অনুসারে তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের অন্তর্গত পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সাধারণ পরিষদে শামিল করা হয়েছে আরও ১৩ জন বিশিষ্টকে।
সেই আমন্ত্রিত সদস্যদের তালিকায় রয়েছেন কবি জয় গোস্বামী, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়, সুবোধ সরকার, প্রচেত গুপ্ত, অভীক মজুমদার, প্রসূন ভৌমিক, শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়, আবুল বাশার, সুধাংশু দে, ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় এবং শাঁওলি মিত্রের মানস কন্যা অর্পিতা ঘোষ।
আরও পড়ুন: র্যাব সৃষ্টিকারীদেরই র্যাবের বিরুদ্ধে অপপ্রচার: কামাল
সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে এই কমিটিতে থাকবেন উচ্চশিক্ষা দফতরের প্রধান সচিব (প্রচেত গুপ্ত), অর্থ দফতরের প্রধান সচিব (অর্পিতা ঘোষ), তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সচিব (অভীক মজুমদার) ও পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির সচিব (প্রসূন ভৌমিক)।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশ ও প্রসারের লক্ষ্যে ফ্রান্সের অ্যাকাডেমি ফ্রঁসেজ-এর আদলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের আওতায় পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৪ সালে এটি একটি স্বশাসিত সংস্থার মর্যাদা পায়।
একাত্তর/আরবিএস