রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মঙ্গলবার আবারো আলোচনায় বসতে যাচ্ছে দুই পক্ষ। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানান, শর্ত সাপেক্ষে রুশ দাবি অনুযায়ী নিরপেক্ষ নীতি গ্রহণে প্রস্তুত কিয়েভ।
এদিকে জেলেনস্কির সাথে প্রেসিডেন্ট পুতিনের বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।
যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী নিরপেক্ষনীতি নিয়ে আলোচনায় প্রস্তুত কিয়েভ। একথা বলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে দু’পক্ষের দ্বিতীয় ধাপের বৈঠক সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত চলবে।
জেলেনস্কি বলেন, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে নিরপেক্ষ এবং পরমাণু অস্ত্রমুক্ত থাকতে প্রস্তুত ইউক্রেন। তবে এ ক্ষেত্রে গণভোট দিতে হবে এবং মধ্যস্থতা করতে হবে তৃতীয় কোন রাষ্ট্রকে। রাশিয়ার প্রথম এবং প্রধান চাওয়া এটাই। দাবি পূরণের নিশ্চয়তা দিলে আলোচনায় প্রস্তুত।
তবে ইউক্রেনকে অসামরিক করার রুশ দাবি প্রত্যাখ্যান করেন জেলেনস্কি। আলোচনা বাধাগ্রস্ত হবার জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে দায়ী করেন তিনি।
আর ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা প্রধান বলেছেন, কিয়েভসহ প্রধান শহরগুলো দখলে নিয়ে দেশের বৈধ সরকারকে উৎখাতে ব্যর্থ হয়েছে রাশিয়া।
আর তাই, এখন ইউক্রেনকে কোরিয়ার মতো ভাগ করতে চাইছে। কিরিলো বুদানভ বলেন, রুশ অভিযান স্থবির হয়ে পড়ায় প্রেসিডেন্ট পুতিনের লক্ষ্য ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণাংশ।
আরও পড়ুন: অস্কার মঞ্চে চড়ের ঘটনা নিয়ে কলকাতা পুলিশের রসিকতা
ওই অঞ্চলকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মস্কো শাসিত অঞ্চল গড়তে চান তিনি। জনগণ তাদের এ উদ্দেশ্য প্রতিহত করবে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে ১,১০০ মানুষকে। জাতিসংঘ জানায় হামলায় এ পর্যন্ত এক হাজার ১১৯ জন নিহত; আহত প্রায় তিন হাজার। ইউক্রেন ছেড়েছে ৩৮ লাখ মানুষ।
একাত্তর/আরএ